আতশবাজি-ফানুসে রাজধানীর ১০ স্থানে আগুন

ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে থার্টি ফার্স্ট নাইটে ওড়ানো ফানুস ও আতশবাজিতে রাজধানীর অন্তত ১০টি স্থানে আগুনের ঘটনা ঘটেছে।শুক্রবার দিবাগত রাত পৌনে ১টায় ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের কর্মকর্তা এরশাদ হোসেন ঢাকাটাইমসকেকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।ডিউটি অফিসার জানান, রাজধানীর তেজগাঁও, যাত্রাবাড়ী, ধানমন্ডি,

রায়েরবাগসহ মোট ১০টি বাসার ছাদ ও সড়কের তারে আগুনের সংবাদ পাওয়া গেছে। প্রতিটি স্থানে ফায়ার সার্ভিসের ২টি করে ইউনিট পাঠানো হয়েছে।আগুনের ঘটনায় অনেকেই দগ্ধ হয়েছেন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, দগ্ধদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম থেকে আরও

বলা হয়, যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল ছাড়াও আরও একাধিক স্থানে আগুন লাগার খবর পেয়েছি আমরা। সেগুলো আমরা তালিকাভুক্ত করছি। তালিকা না করে এ বিষয়ে বিস্তারিত এই মুহূর্তে বলা সম্ভব না। তালিকা সম্পন্ন করার পর আমরা এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারবে। এরমধ্যে সুনির্দিষ্ট করে বলতে গেলে মাতুয়াইল স্কুল রুটের একটি বড় আগুন লাগার খবর পেয়েছি আমরা। সেখানে আমাদের দুইটি ইউনিট রওনা হয়েছে।

আরও পড়ুন=চুয়াডাঙ্গা নেহালপুর দক্ষিনপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আলিয়া খাতুন (৪০) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত ৯টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আলিয়াকে মৃত ঘোষনা করেন। মৃত আলিয়া খাতুন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দর্শনা থানার নেহালপুর গ্রামের দক্ষিন পাড়ার ফরজ আলীর স্ত্রী। মৃত আলিয়া খাতুনের মেয়ে তানিয়া বলেন, আমার মা ইশার নামাজের জন্য ওযু করে ঘরে লাইট দিতে যায়। এই সময় হাত ভেজা থাকায় হাতের

সাথে বিদ্যুতের সুইজের সাথে আটকে যাই। তিনি আরো বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার পর আমার মায়ের চিৎকার শুনে আমার সবাই ঘরে এসে দেখি আমার মা মাটিতে পড়ে আছে। এসময় আমরা উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসি।চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মাহবুবে খোদা বলেন, মৃত আলিয়া খাতুন হাসপাতালে আসার আগেই মৃত্যু বরন করেছেন। বর্তমানে মৃত আলিয়া খাতুনকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *